1. admin@banglatoday24.xyz : admin :
  2. info@banglatoday24.xyz : নাহিদ আলম আলম : নাহিদ আলম আলম
  3. shahjalal7633607@gmail.com : শাহজালাল আজমাঈন : শাহজালাল আজমাঈন
  4. Alraji12121j@gmail.com : আল-রাজি -ভূঁইয়া : আল-রাজি -ভূঁইয়া
  • শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

হরমুজ এড়িয়ে তেল রপ্তানি বাড়াচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো, চ্যালেঞ্জে ইরান

প্রতিনিধির নাম / ১ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

৩

অর্থনীতি ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক উত্তেজনা শুরুর আগের তুলনায় বর্তমানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি তেল রপ্তানি করছে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এবং নতুন করে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মাঝেই এই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি বাজার বিশ্লেשক প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি সমাপ্ত এক সপ্তাহে এই অঞ্চলের দেশগুলো থেকে দৈনিক গড়ে দুই কোটি ৪৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করা হয়েছে, যা পূর্বের দুই কোটি ৩৩ লাখ ব্যারেলের তুলনায় বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির চাহিদা সামাল দিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এই বাড়তি রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে।

তবে এই বর্ধিত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক উপায়ে হচ্ছে না, কারণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর নিরাপত্তাঝুঁকি ও হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। ব্রিটিশ সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনা সংস্থার তথ্যমতে, সম্প্রতি ওই জলসীমায় বেশ কয়েকটি হামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি কনটেইনারবাহী জাহাজও ডুবে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে উপসাগরীয় দেশগুলো জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের অভিনব পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। ছোট জাহাজে করে উপসাগরীয় এলাকা থেকে তেল এনে প্রণালির বাইরে অপেক্ষমাণ বৃহৎ আকারের তেলবাহী জাহাজে তোলা হচ্ছে এবং অনেক দেশ নিজস্ব পরিবহন ব্যবহার করছে।

সৌদি আরবসহ অন্যান্য প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো প্রচলিত পথ বাদ দিয়ে লোহিত সাগর এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে বিকল্প রুটে তেল পাঠানো জোরদার করেছে। আগে সাধারণত বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে এশিয়ায় তেল পাঠানো হলেও, বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় মিসরের পাইপলাইন ব্যবহার করে ভূমধ্যসাগরীয় পথে তেল পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেপলারের প্রতিবেদন বলছে, হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে তেল পরিবহনের হার যুদ্ধপূর্ব সময়ের ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই পরিস্থিতি স্থায়ী করতে ইরাকও গত জুলাই মাসে সিরিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলীয় তেলক্ষেত্র থেকে সিরিয়ার উপকূল পর্যন্ত পাইপলাইন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করে তেল পরিবহন করায় এবং অতিরিক্ত বিমা ব্যয়ের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিশোধিত জ্বালানির খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মাঝেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নতুন করে ইরানে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানি সরকার পরিবর্তনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকেও তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে এই বড় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে এক ধরনের গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/