1. admin@banglatoday24.xyz : admin :
  2. info@banglatoday24.xyz : নাহিদ আলম আলম : নাহিদ আলম আলম
  3. shahjalal7633607@gmail.com : শাহজালাল আজমাঈন : শাহজালাল আজমাঈন
  4. Alraji12121j@gmail.com : আল-রাজি -ভূঁইয়া : আল-রাজি -ভূঁইয়া
  • শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বকাপে খেলতে বাকুতে কিশোররা ভ্যান গগের ‘দ্য স্টারি নাইট’ চিত্রকর্মে তারার রহস্য উন্মোচন আমের খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে চা মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ক্ষমতার সমীকরণ বদলে দিতে পারে যে ১০ আসন চা বানাতে গিয়ে দেখেন, রান্নাঘরে ফোঁস ফোঁস করছে ‘কিং কোবরা’ সৌদির বিধিনিষেধে বিঘ্নিত ১৩৯ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২১ হাজারের বেশি যাত্রী ফ্রান্সে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কঠোর ম্যাক্রোঁ, অবৈধ সমাবেশ নিষিদ্ধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবার ইরানে বড় হামলার ছক ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন পাচার হওয়া ছয় বাংলাদেশি দুর্গা বিসর্জনে শুধু সনাতনীদের প্রতিমা ছোঁয়ার নির্দেশ, অস্পৃশ্যতা ফেরানোর অভিযোগ বিরোধীদের
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

আমের খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে চা

প্রতিনিধির নাম / ০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

১

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের অন্যতম প্রধান আম উৎপাদনকারী অঞ্চল চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া আমের খোসা থেকে চা তৈরির এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলার ভোলাহাট উপজেলার তিন শিক্ষিত তরুণ মাইনুল ইসলাম, মিঠুন ও মাসুম মিলে এই নতুন পণ্য বাজারে এনেছেন, যা ইতিমধ্যে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও সাড়া জাগিয়েছে। উদ্যোক্তাদের দাবি অনুযায়ী, দেশের প্রেক্ষাপটে বাণিজ্যিকভাবে আমের খোসা দিয়ে চা উৎপাদনের এটিই প্রথম কোনো অভিনব প্রয়াস।

সাধারণত মৌসুমের সময় আম খাওয়ার বা জুস তৈরির পর এর খোসাগুলোর বড় একটি অংশ ময়লার মতো ফেলে দেওয়া হতো। এই অপচয় রোধ করতে এবং অব্যবহৃত বর্জ্যকে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তর করতে উদ্যোগী হন ওই তিন বন্ধু। বিভিন্ন পরীক্ষামূলক ধাপ পেরিয়ে তারা রোদে শুকিয়ে ও বিশেষ কারিগরী প্রক্রিয়ায় এই চা তৈরি করছেন, যার প্রতি কেজি মান ও প্যাকেজিং ভেদে দুই হাজার থেকে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উৎপাদন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে উদ্যোক্তারা নিজেরাই স্থানীয় প্রযুক্তির সাহায্যে একটি বিশেষ হিটার মেশিন তৈরি করেছেন, যা বিদেশ থেকে দামি যন্ত্রপাতি আমদানির খরচ বাঁচিয়েছে। তবে পর্যাপ্ত মূলধন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ঘাটতি থাকায় তারা চাইলেও এখনই বড় পরিসরে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারছেন না। উদ্যোক্তাদের বিশ্বাস, সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা পেলে এই পণ্যটি দেশীয় সীমানা পেরিয়ে বিশ্ববাজারেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ এই অভিনব উদ্যোগটিকে কৃষি খাতের জন্য একটি দারুণ সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে এবং এর ভূয়সী প্রশংসা করেছে। কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, কৃষিপণ্যের ফেলে দেওয়া অংশ কাজে লাগিয়ে নতুন পণ্য উদ্ভাবন করলে অপচয় হ্রাসের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। তবে এই চায়ের বাণিজ্যিক প্রসার ঘটাতে হলে এর পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন এবং একটি টেকসই বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/