1. admin@banglatoday24.xyz : admin :
  2. info@banglatoday24.xyz : নাহিদ আলম আলম : নাহিদ আলম আলম
  3. shahjalal7633607@gmail.com : শাহজালাল আজমাঈন : শাহজালাল আজমাঈন
  4. Alraji12121j@gmail.com : আল-রাজি -ভূঁইয়া : আল-রাজি -ভূঁইয়া
  • শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বকাপে খেলতে বাকুতে কিশোররা ভ্যান গগের ‘দ্য স্টারি নাইট’ চিত্রকর্মে তারার রহস্য উন্মোচন আমের খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে চা মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ক্ষমতার সমীকরণ বদলে দিতে পারে যে ১০ আসন চা বানাতে গিয়ে দেখেন, রান্নাঘরে ফোঁস ফোঁস করছে ‘কিং কোবরা’ সৌদির বিধিনিষেধে বিঘ্নিত ১৩৯ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২১ হাজারের বেশি যাত্রী ফ্রান্সে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কঠোর ম্যাক্রোঁ, অবৈধ সমাবেশ নিষিদ্ধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবার ইরানে বড় হামলার ছক ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন পাচার হওয়া ছয় বাংলাদেশি দুর্গা বিসর্জনে শুধু সনাতনীদের প্রতিমা ছোঁয়ার নির্দেশ, অস্পৃশ্যতা ফেরানোর অভিযোগ বিরোধীদের
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

ভ্যান গগের ‘দ্য স্টারি নাইট’ চিত্রকর্মে তারার রহস্য উন্মোচন

প্রতিনিধির নাম / ০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

১

বিনোদন ডেস্ক: প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ভিনসেন্ট ভ্যান গগের সৃষ্টি করা বিখ্যাত ক্যানভাস দ্য স্টারি নাইট নিয়ে নতুন এক তথ্য প্রকাশ করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তাদের দীর্ঘ গবেষণা বলছে, এই চিত্রকর্মে ফুটিয়ে তোলা তারাগুলো আসলে প্রচলিত ধারণার মতো মেষ রাশির নয়, বরং এগুলো বৃষ নক্ষত্রমণ্ডলের হায়াডিস তারাগুচ্ছের অংশ। এই ব্যতিক্রমী আবিষ্কারের ফলে শিল্প ইতিহাসের গবেষকদের মাঝে মাস্টারপিসটি তৈরির সময়কাল নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্টে সংরক্ষিত রয়েছে বিশ্বখ্যাত এই চিত্রকর্মটি।

বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী সায়েন্টিফিক রিপোর্টস-এ প্রকাশিত এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ১৮৮৯ সালের জুলাই মাসের শেষের দিকে আকাশের গায়ে হায়াডিস তারাগুচ্ছের যে নির্দিষ্ট বিন্যাস ছিল, তার সঙ্গে ছবির তারার অবস্থানের অদ্ভুত মিল রয়েছে। এতদিন শিল্প সমালোচকরা মনে করতেন, ফ্রান্সের সাঁ-রেমি-দ্য-প্রোভঁসে কাটানো সময়ে ওই বছরের জুনের মাঝামাঝি কোনো এক সময়ে এই মাস্টারপিসটি এঁকেছিলেন ডাচ চিত্রশিল্পী ভ্যান গগ। তবে সাম্প্রতিক এই মহাকাশ গবেষণা সেই প্রচলিত ধারণাকে একরকম চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।

গবেষণা দলের প্রধান ও মহাকাশ গবেষক এলিয়াহ জিয়ং-হিউন কিমের মতে, ক্যানভাসের ঠিক মধ্যভাগের তারাগুচ্ছটি প্রথম দেখাতেই তার কাছে বৃষ রাশির হায়াডিস বলে মনে হয়েছিল, যা তাকে বিষয়টিতে আরও গভীরভাবে অনুসন্ধান করতে উদ্বুদ্ধ করে। তারার সঠিক বিন্যাস শনাক্ত করতে গবেষক দল প্রোক্রাস্টিস নামের একটি বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করেন। যেখানে তারার আকার বা রঙের চেয়ে মূলত একে অপরের সাপেক্ষে তাদের পারস্পরিক অবস্থান ও বিন্যাসকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই প্রযুক্তির সহায়তায় ছবির পাঁচটি তারার সঙ্গে হায়াডিসের পাঁচটি তারার নিখুঁত সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়।

গবেষকরা তাদের এই পদ্ধতির নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতে ভ্যান গগের অপর বিখ্যাত কাজ স্টারি নাইট ওভার দ্য রোন-এ ফুটিয়ে তোলা সপ্তর্ষিমণ্ডলের তারার বিন্যাস নিয়েও পরীক্ষা চালান। সেখানেও বাস্তব আকাশের সঙ্গে ক্যানভাসের সুনির্দিষ্ট মিল দেখতে পান তারা। পাশাপাশি, শিল্পীর ব্যক্তিগত চিঠিপত্র এবং সে সময়কার চাঁদের অবস্থানও গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ১৮৮৯ সালের জুন মাসে লেখা এক চিঠিতে শিল্পী তারাভরা আকাশ নিয়ে নতুন ছবি আঁকার কথা জানালেও গবেষকদের ধারণা, ক্যানভাসটি একাধিক ধাপে সম্পন্ন হয়ে থাকতে পারে এবং জুলাইয়ের শেষের দিকের চাঁদের ক্ষীয়মান রূপটির সঙ্গে ছবির মিল বেশি রয়েছে।

এদিকে নতুন এই গবেষণার ফলাফল নিয়ে কিছুটা দ্বিমতও প্রকাশ করেছেন টেক্সাস স্টেট ইউনিভার্সিটির পদার্থবিদ্যা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইমেরিটাস অধ্যাপক ডন ওলসন। তার মতে, হায়াডিসের অবস্থানের সঙ্গে উজ্জ্বল শুক্রগ্রহের সংযোগটি ছবির বিন্যাসের সঙ্গে পুরোপুরি খাপ খায় না, তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আরও জোরালো প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে। তা সত্ত্বেও গবেষকরা মনে করছেন, শিল্পকর্মটির ইতিহাস নতুন করে পর্যালোচনা করার মতো পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য ভিত্তি তৈরি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/