1. admin@banglatoday24.xyz : admin :
  2. info@banglatoday24.xyz : নাহিদ আলম আলম : নাহিদ আলম আলম
  3. shahjalal7633607@gmail.com : শাহজালাল আজমাঈন : শাহজালাল আজমাঈন
  4. Alraji12121j@gmail.com : আল-রাজি -ভূঁইয়া : আল-রাজি -ভূঁইয়া
  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৭৫ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলাটি তদন্তে এবার সিআইডি মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ ড্যাফোডিল ক্যাপ্টেনস কাপ গলফ টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হচ্ছে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত জাতীয় দলের চাকরি হারিয়েও হতাশ নন আশরাফুল চার বইয়ের অনুমোদন, নতুন যুক্ত হওয়া এসব বইয়ে কী থাকছে মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ ৬ জন কারাগারে বিএনপি নেতার আয়োজনে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ ভারতের সঙ্গে গোপন আঁতাত করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম সুস্বাস্থ্য রক্ষায় করণীয়, টিকাদান ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ ৬ জন কারাগারে

শাহজালাল আজমাঈন / ২৪ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

৩০

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক এই আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন—ডিজিএফআই সদর দপ্তরে কর্মরত সার্জেন্ট আল মামুন (৩৯) ও ল্যান্স করপোরাল মো. নুরুজ্জামান (৩১), আনসার সদস্য মো. সোহেল রানা (৩২), এবং অপর তিন আসামি মো. মুকুল গাজী (২৬), মাহফুজুর রহমান (২২) ও মো. জিয়াউল ইসলাম (৩৫)।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত আনসার সদস্য সোহেল রানার সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর সুসম্পর্ক ছিল। গত ২৪ অক্টোবর রাতে সোহেল ওই ব্যবসায়ীকে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর কৌশলে সোহেল বেরিয়ে যান এবং এর পরপরই বাকি আসামিরা ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে ব্যবসায়ীকে জোরপূর্বক আটকে রাখেন। এ সময় তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

মুক্তির জন্য ব্যবসায়ী তাঁর মোটরসাইকেল কেনার জন্য সঙ্গে রাখা নগদ ৭০ হাজার টাকা তাঁদের দিয়ে দেন। তবে এতে সন্তুষ্ট না হয়ে আসামিরা তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন এবং পরিবারের কাছে ফোন করে আরও টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।

পরবর্তী সময়ে ২৫ অক্টোবর ভোরের দিকে আসামিরা তাঁকে একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে তুলে শ্যামলীর শিশু হাসপাতালের বিপরীত পাশে নিয়ে যান। সেখানে আসামিরা চা খাওয়ার জন্য নামলে ওই ব্যবসায়ী সুযোগ বুঝে গাড়ি থেকে লাফিয়ে নেমে পড়েন এবং সামনে থাকা পুলিশকে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক এবং তাঁদের প্রাইভেটকারটি জব্দ করে। পরে একই দিন সকালে মোহাম্মদপুরের আল্লাহ করিম মসজিদ এলাকা থেকে অপর আসামি সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এর শুনানি শেষে আদালত তাঁদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শুনানিকালে আদালতে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/