1. admin@banglatoday24.xyz : admin :
  2. info@banglatoday24.xyz : নাহিদ আলম আলম : নাহিদ আলম আলম
  3. shahjalal7633607@gmail.com : শাহজালাল আজমাঈন : শাহজালাল আজমাঈন
  4. Alraji12121j@gmail.com : আল-রাজি -ভূঁইয়া : আল-রাজি -ভূঁইয়া
  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ ৬ জন কারাগারে বিএনপি নেতার আয়োজনে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ ভারতের সঙ্গে গোপন আঁতাত করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম সুস্বাস্থ্য রক্ষায় করণীয়, টিকাদান ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা মনোনয়ন পেতে বিএনপি নেতাদের বাসায় গিয়ে বসে ছিলেন, রাশেদের এই বক্তব্যকে ‘গুরুত্ব’ দিচ্ছেন না আসিফ পূর্বাচল ও ঝিলমিলে ১,০৭৪ প্লট বরাদ্দে অনিয়ম, স্থগিত নথির কার্যক্রম কৃষিকে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই উদ্বেগের: কৃষিমন্ত্রী ১৫১ সদস্য নিয়ে ‘Team JCD Bangladesh’-এর সমন্বিত কার্যক্রম সোশ্যাল মিডিয়ায় দাদিমা ইনফ্লুয়েন্সারদের কাণ্ডেই মজেছে তরুণেরা, কারও কারও ফলোয়ার কোটি ছাড়িয়েছে
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

পূর্বাচল ও ঝিলমিলে ১,০৭৪ প্লট বরাদ্দে অনিয়ম, স্থগিত নথির কার্যক্রম

প্রতিনিধির নাম / ১২ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

১৭

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর নিকটবর্তী পূর্বাচল নতুন শহর এবং ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে বিগত দেড় দশকে প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়মের তথ্য সামনে এসেছে। বিশেষ করে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে সহস্রাধিক প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এই পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর নথিপত্র পর্যালোচনা শুরু করেছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উল্লিখিত দীর্ঘ সময়ে রাজনৈতিক ও অন্যান্য প্রভাবে মোট এক হাজার চারশ তেরটি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর সিংহভাগ বা সর্বোচ্চ নয়শ চুয়াল্লিশটি প্লট একাই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে পূর্বাচল নতুন শহর মেগা প্রকল্পে। বাকি প্লটগুলো ঝিলমিলসহ অন্যান্য আবাসন প্রকল্পে প্রভাবশালীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়।

এই অনিয়মের অভিযোগে ওই সমস্ত প্লট বরাদ্দের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত ফাইলের কার্যক্রম বর্তমানে স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত দেড় দশকে কী প্রক্রিয়ায় এবং কাদের স্বার্থে এই বিশেষ বরাদ্দগুলো সম্পন্ন হয়েছিল, তার গভীরে গিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারি আবাসন নীতির তোয়াক্কা না করে কীভাবে এসব প্লট হাতবদল হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

নথিপত্র আটকে যাওয়ায় উপকারভোগী মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রকৃত নীতিমালা অনুযায়ী বরাদ্দের বিষয়গুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অনিয়মের এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। সরকারের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে এমন পক্ষপাতদুষ্ট প্লট বরাদ্দ রোধে কঠোর নজরদারি ও স্বচ্ছ নীতি চালুর পরিকল্পনা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/