1. admin@banglatoday24.xyz : admin :
  2. info@banglatoday24.xyz : নাহিদ আলম আলম : নাহিদ আলম আলম
  3. shahjalal7633607@gmail.com : শাহজালাল আজমাঈন : শাহজালাল আজমাঈন
  4. Alraji12121j@gmail.com : আল-রাজি -ভূঁইয়া : আল-রাজি -ভূঁইয়া
  • শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

কটিয়াদীতে ৪০ দিন মসজিদে নামাজ পড়ে বাইসাইকেল পেল ১৪ শিশু

প্রতিনিধির নাম / ০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

১

ধর্ম ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া ইউনিয়নের পশ্চিম মসূয়া গ্রামে শিশুদের মসজিদমুখী করার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এলাকার প্রবাসী ও স্থানীয় যুবকদের যৌথ উদ্যোগে এই অভিনব কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল কচি বয়স থেকেই শিশুদের মধ্যে নিয়মিত নামাজ আদায়ের অভ্যাস গড়ে তোলা। টানা চল্লিশ দিন ধরে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করার শর্ত জুড়ে দেওয়া হয় এই প্রতিযোগিতায়। এই শর্ত সফলভাবে পূরণ করতে সক্ষম হয় গ্রামের চৌদ্দজন শিশু, যাদের বয়স দশ থেকে বারো বছরের মধ্যে।

নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী বিজয়ী শিশুদের পুরস্কৃত করার জন্য সম্প্রতি পশ্চিম মসূয়া বায়তুল আকসা জামে মসজিদে এক আনন্দঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী চৌদ্দ শিশুকে পুরস্কার হিসেবে একটি করে নতুন বাইসাইকেল তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অন্য শিশুদের মধ্য থেকে আরও পাঁচজনকে সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে টেবিল লাইট প্রদান করা হয়। এমন আকর্ষণীয় পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে শিশুরা এবং তাদের অভিভাবকরাও এই উদ্যোগে দারুণ সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা তানযীল আহমেদের সঞ্চালনায় এবং শিমুহা আব্দুল মাজিদ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মসূয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও আরবি প্রভাষক মাওলানা আমিনুল ইসলাম। এছাড়া এলাকার বিশিষ্ট আলেম-ওলামা, মাদ্রাসার শিক্ষক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পুরো আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং শিশুদের উৎসাহিত করেন।

আয়োজক ও এলাকাবাসীর মতে, বর্তমান প্রজন্মকে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। প্রবাসে থেকেও নিজ এলাকার শিশুদের মাঝে এমন চমৎকার মানসিকতা তৈরির পেছনে প্রবাসীদের আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতা সত্যি প্রশংসার দাবিদার। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পশ্চিম মসূয়া গ্রামের এই অনুপ্রেরণামূলক উদ্যোগটি জেলার অন্যান্য এলাকার মসজিদগুলোতেও ছড়িয়ে পড়বে এবং আরও অনেক শিশুকে নামাজমুখী করতে সাহায্য করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/