1. admin@banglatoday24.xyz : admin :
  2. info@banglatoday24.xyz : নাহিদ আলম আলম : নাহিদ আলম আলম
  3. shahjalal7633607@gmail.com : শাহজালাল আজমাঈন : শাহজালাল আজমাঈন
  4. Alraji12121j@gmail.com : আল-রাজি -ভূঁইয়া : আল-রাজি -ভূঁইয়া
  • শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রে চরমোনাই পীর, কী উদ্দেশ্যে এই সফর চমক নিয়ে উইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দল ঘোষণা ভারতে হতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, দেশে বৃষ্টি হতে পারে মঙ্গলবার সুন্দরবনের প্রায় ৪০ শতাংশ সুন্দরী গাছ রোগাক্রান্ত, কারণ কী সোনা ও রুপার দাম আরও কমল সরকার সৌদি প্রবাসীদের আকামার মেয়াদ বাড়াতে কাজ করছে: শামা ওবায়েদ আলবার্টার স্বাধীনতা ইস্যুতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কেন এ অবস্থান? পাহাড় ঘিরে নিয়ন্ত্রণের লড়াই ভারতের বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ধীরগতি, তালিকার অপেক্ষায় ১১ উপজেলা ভবানীপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বিএনপি নেতা জিএম মোস্তফা কামাল
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

আলবার্টার স্বাধীনতা ইস্যুতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কেন এ অবস্থান?

প্রতিনিধির নাম / ৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কানাডার রাজনীতিতে বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাধীনতা বা স্বায়ত্তশাসনের দাবি নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগে ১৯৯৫ সালের ৩০ অক্টোবর কুইবেক প্রদেশে একটি ঐতিহাসিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা প্রায় দেশটির অখণ্ডতা বিপন্ন করে তুলেছিল। ফরাসি ভাষাভাষী অধ্যুষিত কুইবেকের সেই গণভোটে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত ব্যাপক এবং তৎকালীন সময়ে প্রায় অর্ধেকের বেশি মানুষ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

ওই গণভোটে কুইবেকের ভাগ্য নির্ধারণী ভোটাধিকার প্রয়োগের হার ছিল অবিশ্বাস্য রকমের বেশি, যা প্রায় ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। অত্যন্ত অল্প ব্যবধানে সে যাত্রায় কানাডা থেকে কুইবেকের বিচ্ছিন্ন হওয়া ঠেকানো সম্ভব হলেও এই ঘটনা দেশটির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গভীর ক্ষত রেখে যায়। পরবর্তীতে এই ধরনের আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় কানাডার সরকার ও আদালত নানা ধরনের আইনি ও সাংবিধানিক পথ উন্মুক্ত করে।

কুইবেকের সেই ঐতিহাসিক ঘটনার পর থেকেই কানাডার অন্যান্য প্রদেশেও মাঝে মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার বা আলাদা হয়ে যাওয়ার গুঞ্জন শোনা যায়। বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ আলবার্টা প্রদেশেও বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রবিরোধী মনোভাব এবং নিজেদের সম্পদ নিজেদের মতো ব্যবহারের দাবি জোরালো হয়েছে। তবে এসব আন্দোলনের প্রকৃতি ও জনসমর্থন কুইবেকের মতো অতীতে এতটা তীব্র রূপ নেয়নি।

কানাডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও দেশটির মূলধারার এই রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক গতিপ্রকৃতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। অভিবাসী হিসেবে তারা কানাডার অখণ্ডতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজব্যবস্থার পক্ষে সাধারণত নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে থাকেন। ফলে আলবার্টা বা অন্য কোনো অঞ্চলের স্বাধীনতা ইস্যু তৈরি হলে সেখানে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যেও নানা ধরনের আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/