1. admin@banglatoday24.xyz : admin :
  2. info@banglatoday24.xyz : নাহিদ আলম আলম : নাহিদ আলম আলম
  3. shahjalal7633607@gmail.com : শাহজালাল আজমাঈন : শাহজালাল আজমাঈন
  4. Alraji12121j@gmail.com : আল-রাজি -ভূঁইয়া : আল-রাজি -ভূঁইয়া
  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

মাত্র ৩ কোটির সিনেমা, আয় ছাড়াল শতকোটি

প্রতিনিধির নাম / ১৪ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

১৯

বিনোদন ডেস্ক: চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় স্বল্প বাজেটের সিনেমা নির্মাণের ক্ষেত্রে ২০২৬ সালটি এক অবিশ্বাস্য সাফল্যের বছর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এই সাফল্যের মুকুটে সবচেয়ে বড় রত্ন হয়ে যুক্ত হয়েছে কন্নড় ভাষার ছবি ‘প্রেমাদা উরালি’। মাত্র ৩ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই রোমান্টিক-পারিবারিক ড্রামা সিনেমাটি ইতিমধ্যেই বক্স অফিসে ১১৩ কোটি রুপির বেশি আয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এর মাধ্যমে কন্নড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে এটি সবচেয়ে লাভজনক সিনেমার রেকর্ড গড়েছে এবং লাভের হারের দিক থেকে ‘কেজিএফ’ ও ‘কান্তারার’ মতো জনপ্রিয় ব্লকবাস্টার ছবিগুলোকেও পেছনে ফেলে দিয়েছে।

গ্রামীণ পটভূমিতে গড়ে ওঠা এই সিনেমার মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে বাবা ও ছেলেকে কেন্দ্র করে। পরিবারে এক আধুনিক পুত্রবধূর পদার্পণের মধ্য দিয়ে যখন পারিবারিক সমীকরণ পাল্টে যেতে থাকে, তখন সামাজিক রীতিনীতির বিরুদ্ধে এক নারীর অদম্য সংগ্রাম দারুণভাবে ফুটে ওঠে। গ্রামের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ এবং যাপিত জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে গল্পের গভীর মিল থাকায় দর্শকরা ছবিটির প্রতি ভীষণভাবে আকৃষ্ট হয়েছেন। সাধারণ আবেগ ও পারিবারিক অনুভূতির মিশেলে তৈরি এই চিত্রনাট্যটি সব বয়সি দর্শকদের হৃদয় জয় করতে সক্ষম হয়েছে।

তবে এই সাফল্যের পথচলাটি নির্মাতা দলের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। সিনেমার চিত্রগ্রাহক রাজকান্ত এসকে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, প্রচার ও মুক্তির জন্য মাত্র ১৫ লাখ রুপির আর্থিক সহায়তার আশায় তাঁরা বড় প্রযোজকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও নিরাশ হয়েছিলেন। কেউ তাঁদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। কিন্তু সিনেমাটি অভাবনীয় ব্যবসা সফল হওয়ার পর সেই একই প্রযোজকরা এখন আক্ষেপ করছেন এবং পরিচালকের সাক্ষাৎ পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাজেট সংকট প্রকট থাকায় চরম প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে শুটিং সম্পন্ন করতে হয়েছিল কলাকুশলীদের। এমনকি একশ জনের বেশি সদস্যের থাকার জন্য কোনো ভালো হোটেলের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি, ফলে একটি সাধারণ মিলনায়তনের মেঝেতেই সবাই রাত কাটিয়েছেন। তবে পরিচালক মনোজ কুমারের নিজের গ্রামে শুটিং হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা সব সময় তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়া বড় কোনো ইভেন্ট আয়োজনের সামর্থ্য না থাকায় পরিচালক অটোরিকশার পেছনে স্টিকার লাগানো এবং বিয়ের কার্ডের আদলে আমন্ত্রণপত্র বিলি করার মতো অভিনব পন্থায় প্রচার চালিয়েছিলেন।

মুক্তির প্রাক্কালে বড় প্রযোজকদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং হলের মালিকদের শো বাতিল করার মতো প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে আজ ছবিটির চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। মুক্তির প্রায় এক মাস পরও সিনেমাটির সাত শর বেশি শো প্রদর্শিত হচ্ছে এবং প্রতিটি শো হাউসফুল থাকছে। দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে হলগুলোতে অতিরিক্ত চেয়ার ও কার্পেট পাতার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। শত প্রত্যাখ্যান এবং চরম অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে লড়াই করে একদল তরুণের এই অভাবনীয় জয়যাত্রা আজ পুরো ভারতীয় চলচ্চিত্রের জন্যই এক অনন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
https://slotbet.online/